৫ আগস্টের পরে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামীপন্থী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে চলে গেলেও কিছু জনপ্রতিনিধি এখনো স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহযোগিতায় স্বপদে বহাল রয়েছেন। তেমনি একজন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম আলাউল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম পূর্বে ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন এবং বর্তমানে
উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। তিনি ২০২২ সালে বিএনপি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন। এমনকি সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার ফেসবুক আইডিতে সরকার বিরোধী বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ তিনি প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন।একাধিক স্থানীয় সূত্র জানান, জুলাই আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার তালিকা করে প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে পৌঁছে দিতেন এই ইউপি চেয়ারম্যান। অভিযোগ রয়েছে তিনি নিজেই অস্ত্র হাতে মহড়া দিতেন । এছাড়া মাদক ও ভূমি দখলেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় এফ আই আর ভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না, তা কারোরই বোধগম্য নয়।
৩১ অক্টোবর শিদলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ উঠে। অভিযোগে বলা হয়, ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি পূরণ না করায় তিনি চেয়ার দিয়ে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে মারধর করেন।
যদিও ওই সময় স্ত্রী নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি মিথ্যা।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সাজিদুর রহমান জানান, শুনেছি কোতোয়ালি বা সদর দক্ষিণ থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা থাকতে পারে। আমার এখানে ২০২২ সালের একটি মামলা ছিল, এটার বর্তমান অবস্থা কি জানিনা? আদালত ভালো বলতে পারে। আর ৫ আগস্টের পরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি এখানে।
৯ দিন আগে রবিবার, নভেম্বর ৩০, ২০২৫
