বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে গবেষণা খাতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ (এনএসটি) পাচ্ছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৪ জন শিক্ষার্থী। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপ-সচিব ফেরদৌস আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স পর্যায়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী গবেষণার
জন্য ৫৪ হাজার টাকা করে এবং পিএইচডির জন্য নির্বাচিত প্রতিটি শিক্ষার্থী ৩ লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাবেন।খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং ভৌতবিজ্ঞান এই তিনটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে।মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্যাটাগরিভিত্তিক হিসাবে খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান বিভাগে সর্বোচ্চ ১৮ জন, ভৌতবিজ্ঞান বিভাগে ৪০ জন এবং জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান বিভাগে ৫৬ জন শিক্ষার্থী ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফেলোশিপপ্রাপ্তদের মধ্যে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থীই সর্বাধিক ২৪ জন। এ ছাড়া ফুড টেকনলোজি এবং নিউট্রেশন সাইন্স বিভাগ থেকে ১৭জন, ইনভায়রনমেন্টাল সাইন্স এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে ১৭ জন,বায়োকেমেস্ট্রী ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে থেকে ১৩ জন, বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ১১ জন,রসায়ন বিভাগ থেকে ৭ জন,পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে ১০জন,পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৬জন,টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ৪ জন,আইসিটি বিভাগ থেকে ৩ জন,কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ১ জন,গণিত বিভাগ থেকে ১ জন শিক্ষার্থী ফেলোশিপ পেয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির বলেন,"বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (NST) ফেলোশিপে মাভাবিপ্রবির ১১৪ জন শিক্ষার্থী ও গবেষকের নির্বাচিত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গবেষণা সেল থেকে রেকর্ড ২৩৪ জন মাস্টার্স শিক্ষার্থীকে গবেষণা ফেলোশিপ প্রদান গবেষণাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। একই শিক্ষাবর্ষে মোট ৩৪৮ জন শিক্ষার্থীর এই অর্জন মাভাবিপ্রবিকে একটি গবেষণা-নিবিড় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল।”
প্রসঙ্গত, গবেষণা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও উৎসাহিত করতে ১৯৭৭–৭৮ অর্থবছর থেকে ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান, এই তিনটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে সরকার। নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ও গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদন যাচাই-বাছাই এবং সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
১৮ দিন আগে বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬
