কচ্ছপের গতিতে এগোচ্ছে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু) নির্বাচনের কার্যক্রম।এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত রোডম্যাপ এবং দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে দ্বিতীয় দফায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস—চ্যান্সেলর রুমের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি)
সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এরআগে শিক্ষার্থীরা ভাইস—চ্যান্সেলরের কাছে সুনির্দিষ্ট রোড ম্যাপ ও দ্রুত নির্বাচন দেয়ার দাবি জানালে নানা জটিলতার কথা জানান। পরে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন— সিপিএস বিভাগের শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান সাজু,পরিসংখ্যান বিভাগের তুষার আহমেদ,রসায়ন বিভাগের অনিক ইসলাম অপু,টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব,হিসাববিজ্ঞান বিভাগের জুবায়েদ আল হাবিব মুবিনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন— দীর্ঘদিন ধরে তারা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ও দ্রুত নির্বাচন দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি-দাওয়া মানছে না। তাই দ্রুত সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ও নির্বাচনের আয়োজন না করলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও প্রদান করেন তারা।
এর আগে গত বছরের ১১ আগস্ট শিক্ষার্থীদের একাংশ ছাত্র সংসদ চালুর দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করেন। একই সময়ে ছাত্র সংসদের আইন প্রণয়ন ও কার্যকর কাঠামো গঠনের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাংশ। ধারাবাহিক আন্দোলনের পর গত ২৭ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের আইন পাস হয় এবং নির্বাচন আয়োজনের তারিখও ঘোষণা করে বেরোবি প্রশাসন।
তবে একই সময়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা সত্ত্বেও এখনো মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) মাকসু আইন প্রণয়ন করতে পারেনি প্রশাসন। এ ধরনের ধীরগতির কার্যক্রমের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ প্রসঙ্গে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ বলেন— মাওলানা ভাষানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনে মাকসু নেই। যার কারণে এটা আইনি প্রক্রিয়ার লক্ষ্যে রিজেয়েন বোর্ডে নিয়ে যাই, সেখানে আলোচনার পরে আমাদের এই গঠনতন্ত্র এবং মাকসু নির্বাচনের বিষয়ে আমরা অগ্রায়ন করি। নির্বাচন আয়োজনের আমরা সর্বোচ্চ করে যাচ্ছি।
৮ দিন আগে বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬
