বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাসিবুল হাসান কৌশিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ঈশা খাঁ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা ১২টার দিকে কৃষি অনুষদ ভবনের সামনে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। কৌশিক কৃষি অনুষদের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি পরীক্ষা শেষ করে বের হচ্ছিলাম। তখন ঈশা
খাঁ হলের শিক্ষার্থীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আমার ওপর অতর্কিত চড়াও হয়। আনুমানিক ৪০-৫০ জন এসে আমাকে মারধর করতে থাকে। কী কারণে মেরেছে আমি ঠিক জানি না। তবে যারা আমার ওপর চড়াও হয়েছে তাদের কয়েকজন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।আর আমি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মতাদর্শ লালন করি। এ জন্য আমার সঙ্গে তাদের মতাদর্শের পার্থক্য থাকায় আমার ওপর তারা হামলা করেছে।’
হাসিবুল বলেন, ‘সর্বপ্রথম আমার মাথার পেছনে আঘাত করে ঈশা খাঁ হলের কৃষি অনুষদের ৬১ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া জুনিয়র ৬৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীও ছিল।
৫৮ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী দূর থেকে হামলার নেতৃত্ব দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা কথা বলছিলাম, এ সময় হুট করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এই ঘটনায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের কয়েকজনকে ফাঁসানো হয়েছে।’
এই ঘটনায় ঈশা খাঁ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিয়াউল হক বলেন, ‘আমার কাছে কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। আমি কয়েকজনকে দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি।
প্রশাসন এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করা হবে। আমি ধারণা করছি আজকের ঘটনাটি দুই হলের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির জেরে সংঘটিত হয়েছে। প্রশাসনে কাছে আমরা এই দুই দিনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাইব।
৩ দিন আগে শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬
