Daily Bangladesh Mirror

ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

জাতীয়

প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:
১ দিন আগে শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
# ফাইল ফটো


সব ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতিতে সততা, দক্ষতা ও মেধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। একটি দক্ষ ও সৎ প্রশাসন ছাড়া বাজেটের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বিগত ১৭ বছরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রশাসন ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে।


শনিবার (২৭ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জনবান্ধব, বাস্তবসম্মত ও বাস্তবায়নযোগ্য। দীর্ঘ প্রস্তুতি, বিভিন্ন অংশীজনের মতামত এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় রেখে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাজেট প্রণয়নের আগে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। অর্থমন্ত্রীও নিরলস পরিশ্রম করে একটি বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপন করেছেন। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।


তিনি বলেন, বাজেটে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা, আর্থিক খাতের সংস্কার, ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ভাতা, স্বাস্থ্য কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরবে।


সরকার কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন এবং বাজারে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন। সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আঙুর, অ্যাভোকাডো ও স্ট্রবেরির মতো উচ্চমূল্যের ফলের চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।


তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকার প্রতিটি টাকা যাতে সঠিকভাবে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন। উন্নয়ন ব্যয় সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান, আয় ও বিনিয়োগ বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশ ধাপে ধাপে একটি উন্নত অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

১ দিন আগে শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন