আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা, তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নৈতিকতা জোরদারের লক্ষ্যে চট্টগ্রামে নারী সাংবাদিকদের জন্য দুটি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।
ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের সহায়তায় ইউএন ব্যালট প্রকল্পের আওতায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগবিষয়ক উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টি প্রশিক্ষণগুলোর আয়োজন করে।
নগরীর হোটেল টাওয়ার ইন–এ
আয়োজিত আবাসিক প্রশিক্ষণ দুটির প্রথম ব্যাচ শুরু হয় ১৬ জানুয়ারি এবং শেষ হয় ১৮ জানুয়ারি ২০২৬। দ্বিতীয় ব্যাচ শুরু হয় ১৭ জানুয়ারি এবং শেষ হয় ১৯ জানুয়ারি ২০২৬। প্রতি ব্যাচে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমের ৪৯ জন নারী সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।প্রশিক্ষণে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ের মধ্যে ছিল নির্বাচন প্রেক্ষাপটে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড; বিভ্রান্তিকর তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি ও সম্ভাবনা; তথ্য যাচাই কৌশল, নির্বাচন ও রাজনৈতিক রিপোর্টিংয়ের আইনগত কাঠামো, এবং নারী সাংবাদিকদের শারীরিক, অনলাইন ও মানসিক নিরাপত্তা।
আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণের বিভিন্ন অধিবেশন পরিচালনা করেন।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও সাংবাদিক নিরাপত্তা বিষয়ে অধিবেশন পরিচালনা করেন ইউনেস্কোর মেহদি বেঞ্চেলাহ। ডিজিটাল মিডিয়া, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও এআই-সংক্রান্ত অধিবেশন পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষক আনাস বেনদ্রিফ। সাংবাদিকদের শারীরিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ স্কট হোয়ার।
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা, আইন ও রাজনৈতিক রিপোর্টিং নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শারমিন রিনভী এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন। এছাড়া নির্বাচনকালে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও সংবেদনশীলতা রিপোর্টিং বিষয়ে অধিবেশন পরিচালনা করেন ইউএনডিপি'র জেন্ডার বিশেষজ্ঞ তাসলিমা আকতার।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এই কর্মসূচি তাদের নির্বাচনকালীন রিপোর্টিংয়ে আরও দায়িত্বশীল, আত্মবিশ্বাসী ও নিরাপদভাবে কাজ করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে তথ্য যাচাই, এআইজনিত ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং মাঠ ও অনলাইন পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তারা বাস্তবমুখী ধারণা পেয়েছেন।
১৪ দিন আগে বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬
