মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সহধর্মিণী আলেমা খাতুন ভাসানীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে রচিত ‘আলেমা খাতুন ভাসানী’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে দরবার হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বইটির লেখক শেখ সায়মন পারভেজ হিমেল সরকারের কাছে দুটি
গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। প্রথমত, আলেমা খাতুন ভাসানীর জীবনী স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা। দ্বিতীয়ত, মওলানা ভাসানীর জীবন, দর্শন, রাজনৈতিক চিন্তা ও অবদান নিয়ে গবেষণার জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
লেখক তাঁর দাবিগুলো অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মাধ্যমে সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আলেমা খাতুন ভাসানীর জীবন ও অবদান দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে নতুন প্রজন্ম তাঁর জীবন, কর্ম ও অবদান সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে মওলানা ভাসানীকে নিয়ে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, ঐতিহাসিক দলিল সংগ্রহ এবং তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন সংরক্ষণে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন।
শেখ সায়মন পারভেজ হিমেলের রচিত ‘আলেমা খাতুন ভাসানী’ বইটি প্রকাশ করেছে রোদেলা প্রকাশনী। গ্রন্থটির প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন। লেখকের দাবি, বাংলাদেশের ইতিহাসে আলেমা খাতুন ভাসানীকে নিয়ে এককভাবে রচিত এটিই প্রথম জীবনীগ্রন্থ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। প্রধান বক্তা ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু।
মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং মওলানা ভাসানী ছাত্র ফাউন্ডেশন ও মাভাবিপ্রবি শাখার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আলেমা খাতুন ভাসানীর জীবন ও অবদান স্মরণ করার পাশাপাশি মওলানা ভাসানীকে নিয়ে গবেষণা এবং তাঁর পরিবারের ঐতিহাসিক ভূমিকা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
১৫ ঘন্টা আগে রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬