বিশ্বকাপ ২০২৬-এ জার্মানি এসেছে এক ভিন্ন মেজাজ নিয়ে। ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার লজ্জা ঘোচাতে চাইছে দলটি। জুলিয়ান নাগেলসমানের হাত ধরে এই জার্মানি এখন অনেক বেশি ধারালো এবং বিপজ্জনক।
তার প্রমাণটা প্রথম মাচেই দেখিয়েছে দলটি। ৭-১ গোলে হারিয়েছে কুরাসাওকে। তাতে বাকি দলগুলোকেও একটা বার্তা দেওয়া হয়ে গেছে দলটির।
আক্রমণে বিশ্বমানের দুই তারকা
জার্মানির মাঝমাঠ ও আক্রমণ ভাগে আছেন ফ্লোরিয়ান ওয়ার্টজ ও জামাল মুসিয়ালা। এই দুজন যেকোনো পজিশনে খেলতে পারেন। জোন ১৪তে জটলা তৈরি করে এবং ওয়ান অন ওয়ান লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে ছাড়িয়ে যাওয়ার ক্ষমতায় তারা বিশ্বের সেরাদের একজন। যেকোনো রক্ষণের জন্য তাদের নজরে রাখা কঠিন।
এর মধ্যে মুসিয়ালা কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ছন্দে ফিরেছেন, গোলও করেছেন।
কৌশলে নমনীয়তা
নাগেলসমান এমন একটি দল তৈরি করেছেন যেটি প্রতিপক্ষ দেখে নিজেকে বদলে নিতে পারে। কাই হাভার্টজকে ‘ফলস নাইন’ হিসেবে খেলানো যায়, আবার দরকার হলে নিক ওল্টেমাডে বা ডেনিস উন্দাভের মতো শারীরিকভাবে শক্তিশালী স্ট্রাইকারকে মাঠে নামানো যায়। এই নমনীয়তা প্রতিপক্ষের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ।
প্রমাণ করার তাগিদ
২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে পর পর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার ক্ষত এখনও তাজা। এই জার্মান দল সেই ব্যর্থতার জবাব দিতে চায়। দলের ভেতরে এক ধরনের ক্ষুধা আছে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের আবার প্রমাণ করার।
ঠিক সময়ে শিখরে
২০২৪ ইউরোতে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে হৃদয়ভাঙা বিদায়ের পরও জার্মানি থেমে যায়নি। বাছাইপর্বে তারা খেলেছে দুর্দান্ত, রক্ষণে শক্ত থেকে আক্রমণে গোলের পর গোল করেছে। দলটি এখন ঠিক সেই জায়গায় আছে যেখানে থাকলে বড় টুর্নামেন্টে ভালো করা যায়।
কুরাসাওর বিপক্ষে ৭-১ জয় এবং ব্রাজিলের বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড ভেঙে দেওয়া — এই জার্মানিকে সহজে থামানোর কথা যেকোনো দলই ভাববে দুবার।
১ ঘন্টা আগে সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬